Header Ads Widget

📘 Income Tax Friend

অর্থঋণ আদালতের স্টেপসগুলো

 অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ 

ব্যাংকে এই আইনটি খুবই পরিচিত ঋণ আদায়ের জন্য। ব্যাংকার হিসেবে আপনাকে প্রায়শই এই ঝামেলায় পড়তে হয় আপনি এখন কোন স্টেজে আছেন। এর পর আপনাকে কী করতে হবে। অনেকে না বুঝতে পারেন না। অনেকে দ্বন্দে থাকেন। না জানার কারণে আইনজীবীকে তাগাদা দিতে পারেন না। ঋণ আদায়ে ঝামেলাও হয়। 

আমরা খুব সংক্ষেপে জানব এই আইনে কীভাবে ঋণ আদায় করা হয়। প্রক্রিয়া গুলো কী। স্টেপসগুলো কী। তো জানা যাক . .  লিখেছেন মনোয়ার এইচ. ভূঁঞা। 


পদক্ষেপ : ১ তাগাদা দিতে হয়।

ঋণ শ্রেণীকৃত হওয়ার সাথে সাথে ব্যাংক গ্রাহক‌কে ঋণ পরিশোধের জন্য মৌখিক অনুরোধ করবে, তাগাদা পত্র প্রেরণ করবে। ব্যাংক ঋণ পরিশোধের জন্য গ্রাহকের সাথে তার জামিনদাতার সাথে যোগাযোগ করে ঋণ আদায়ের চেষ্টা করবে।


পদক্ষেপ : ২ নোটিশ দিতে হয়।

মৌখিক বা লিখিত অনুরোধে ঋণগ্রহীতা ঋণ পরিশোধ না করলে ঋণ পরিশোধের জন্য ব্যাংক ম্যানেজার ৭ দিন সময় দি‌য়ে ‌নো‌টিশ দি‌তে হ‌বে।


পদক্ষেপ : ৩ লিগ্যাল নোটিশ দিতে হয়

নোটিশ প্রাপ্তির পরও যদি ঋণগ্রহীতা পরিশোধের জন্য কোনো আগ্রহ না দেখালে আইনজীবীর মাধ্যমে লিগ্যাল নোটিশ পাঠাতে হবে। লিগ্যাল নোটিশে ঋণ পরিশোধের জন্য কমপক্ষে ১৫ দিন সময় দি‌তে হ‌বে।


পদক্ষেপ : ৪ মামলা করার আগে সম্পত্তি বিক্রির চেষ্টা করতে হবে

উপরের সব পদক্ষেপ ব্যর্থ হলে বা ঋণগ্রহীতা ঋণ পরিশোধ না করলে বন্ধকী সম্পত্তি বিক্রির উদ্যোগ নিতে হবে। মামলা করার আগে ১২ (৩) ধারায় বন্ধককৃত সম্পত্তি নিলামের মাধ্যমে বিক্রয়ের চেষ্টা করতে হবে। অর্থঋণ আদালত আইনে ১২(৩) ধারায় বলা হয়েছে,

‘কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিবাদীর কাছ থেকে কোনো স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক রেখে অথবা অস্থাবর সম্পত্তি দায়বদ্ধ রেখে ঋণ প্রদান করলে এবং বন্ধক প্রদান বা দায়বদ্ধ রাখার সময় বন্ধকি বা দায়বদ্ধ সম্পত্তি বিক্রির ক্ষমতা আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে প্রদান করা হয়ে থাকলে, তা বিক্রি না করে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ ঋণ পরিশোধ বাবদ সমন্বয় না করে অথবা বিক্রির চেষ্টা করে ব্যর্থ না হয়ে এই আইনের অধীনে অর্থঋণ আদালতে কোনো মামলা দায়ের করা যাবে না।’


সাধারণত, মর্টগেজ করার সময় ব্যাংক স্থাবর সম্পত্তির বিপরীতে ঋণগ্রহীতার কাছ থেকে একটি পাওয়ার অব এটর্ণি দলিল নিয়ে থাকে।  যদি কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে কোনো সম্পত্তি বিক্রির ক্ষমতা দিয়ে কোনো সম্পত্তি বন্ধক দেয়া হয়, তাহলে ওই আর্থিক প্রতিষ্ঠান সেই সম্পত্তি বিক্রি করে বিক্রয়লব্ধ অর্থ দিয়ে ঋণ সমন্বয় করার চেষ্টা করবে। এতেও যদি ঋণ না মেটে কিংবা সম্পত্তি বিক্রির চেষ্টা করে যদি প্রতিষ্ঠানটি ব্যর্থ হয়, কেবল তখনই অর্থঋণ আদালত মামলা দায়ের করা যাবে।

১২(৩) ধারায় নিলাম প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে

ক) দুটি জাতীয় পত্রিকায় সম্পত্তির তফশিল, ঋণের পরিমাণ, শিডিউল জমা দেয়ার পদ্ধতি উল্লেখ করে নিলাম বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে।

খ)      নিলামে অংশগ্রহণকারী সবার উপস্থিতিতে নিলাম তারিখে জমা হওয়া নিলামের তফশিলযুক্ত খাম খুলতে হবে।

গ)      নিলামের কোনো অংশগ্রহণকারী না থাকলে, নিলামে অংশগ্রহনকারীরা যোগ্য না হলে আদালতে ৮ ধারায় আরজি জমা দিয়ে মামলার পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।


পদক্ষেপ: ৫ (মামলা দায়ের শুরু)

১২(৩) ধারায় নিলাম ব্যর্থ হলে ব্যাংক ঋণ আদায়ের জন্য অর্থঋণ আদালত আইনের ধারা ৮(১) অনুযায়ী আরজি দাখিলের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট আদালতে মামলা দায়ের করতে পারবেন। আরজিতে প্রধানত যে-সব বিষয় অন্তর্ভুক্ত করতে হয় তার উল্লেখ আছে ধারা ৮(১)-এ-

ক) বাদীর নাম, ঠিকানা, কর্মস্থল ইত্যাদির বিবরণ।

খ) বিবাদীর নাম, ঠিকানা, কর্মস্থল, বাসস্থান ইত্যাদির বিবরণ।

গ) দাবীর সাথে সম্পর্কিত সকল ঘটনা।

ঘ) মামলার কারণ, উদ্ভবের ঘটনা, স্থান এবং তারিখ।

ঙ) কোর্ট ফি প্রদানের উদ্দেশ্যে মামলার তায়দাদ (এখানে ‘তায়দাদ’ অর্থ ব্যাংকের পাওনা বা ব্যাংক বিবাদীর কাছে মোট যত টাকা দাবী করে মামলা করেছে),

চ) আদালতের এখতিয়ার রয়েছে মর্মে বিবরণ, এবং

ছ) প্রার্থিত প্রতিকার।

আরজিতে উক্ত ধারায় বর্ণিত বিষয়ের অতিরিক্ত আরও অন্তর্ভুক্ত হবে-

ধারা-৮(২):     ঋণ সংক্রান্ত একটি তফসিল (ঋণ অঙ্কের বিস্তারিত অর্থাৎ মূল ঋণ, সুদ, দণ্ড সুদ, অন্যান্য খরচ, মোট পরিশোধ, সর্বশেষ পাওনা ইত্যাদি) এবং বন্ধকী সম্পত্তির তফসিল (স্থাবর অস্থাবর দুটোরই)।

ধারা-৮(৩):     আরজির সাথে দলিলপত্র দাখিল- দাবীর সমর্থনে সাক্ষ্য হিসাবে, যেসব দলিল ব্যাংকের কাছে আছে, তার সত্যায়িত কপি আরজির সাথে দাখিল করতে হবে; যেমন লোনের স্টেটমেন্ট।

ধারা-৮(৪):     দখলে না থাকা দলিলের তালিকা- ব্যাংকের দখলে নেই এমন দলিল (যেমন কালেকশনের চেক, ডিডি, দাপ্তরিক নোটিশ) এর তালিকা করে কার কার কাছে আছে সেটা উল্লেখ করতে হবে।

ধারা-৮(৫):     আরজির সাথে দলিল/তালিকা দাখিল না করার ফল- পরে আলাদা খরচ দিয়ে দাখিল করতে হবে।

ধারা-৮(৬):     কার্যকারকের উল্লেখ- বাদীর পক্ষে কার্যকারক হিসাবে কে দায়িত্বে থাকবে তা উল্লেখ করতে হবে।

ধারা-৮(৭):     বিবাদীকে সম্পত্তির তালিকা দাখিলের নির্দেশ- বাদী যদি বিবাদীর সম্পত্তির কোন তফসিল দিতে না পারে তাহলে আদালত বিবাদীকে ঐ কাজের নির্দেশ দিতে পারেন।

ধারা-৮(৮):     বিবাদী প্রতি আরজির ও কাগজপত্রের কপি দাখিল- যত জনকে বিবাদী করা হবে আরজি ও কাগজপত্রের তত সংখ্যক কপি আদালতে দাখিল করতে হবে।

ব্যাংকের পক্ষে শাখা ম্যানেজার আরজিতে স্বাক্ষর করতে পারেন। তবে মামলা দায়ের হবে ব্যাংকের নামেই, ম্যানেজারের নিজের নামে নয়। আরজির সাথে মূল্যানুপাতে কোর্ট ফি প্রদান করতে হবে। মূল ঋণগ্রহীতার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার সময় তৃতীয় পক্ষ বন্ধকদাতা  বা তৃতীয় পক্ষ গ্যারান্টর  ঋণের সাথে সংশ্লিষ্ট থাকলে, তাদেরকেও পক্ষ করতে হবে।


পদক্ষেপ: ৬ (সমন জারি)

ঋণগ্রহীতা(বিবাদী)কে তলব করে সমন জারি করা হবে। ইস্যুর তারিখ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে প্রাপ্তিস্বীকার হয়ে সমন ফেরত না এলে কিংবা বিনা জারীতে ফেরত এলে ঐ সমন বিজ্ঞপ্তি আকারে একটি বহুল প্রচলিত জাতীয় দৈনিকে (আদালত উপযুক্ত মনে করলে একটি স্থানীয় দৈনিকেও) প্রকাশের মাধ্যমে বিকল্প জারি করতে হবে।


পদক্ষেপ:৭ (বিবাদীর হাজিরা/শুনানী)

সমন প্রাপ্তির পর নির্দিষ্ট তারিখে উপস্থিত হয়ে বিবাদী (ঋণগ্রহীতা) নিজে অথবা তার প্রতিনিধি উপস্থিত হয়ে আরজির জবাব দিবেন। অপরাপর শুনানির দিনগুলোতে তিনি উপস্থিত হয়ে শুনানি অংশগ্রহণ করবেন। যদি বিবাদী উপস্থিত না হয়, তবে আদালত একতরফা ডিক্রি/রায় দিবেন।


পদক্ষেপ:৮ রায়/ডিক্রি।

শুনানি শেষে আদালত বিবাদী (ঋণগ্রহীতা)কে ঋণ শোধের নির্দেশ দিতে পারেন। কোন সময় উল্লেখ না করলে, ৬০দিনের মধ্যে ঋণ শোধ করতে হয়। এই আদেশকে ডিক্রি বলে।  


পদক্ষেপ:৯ ডিক্রিজারি

ঋণ পরিশোধের আদেশ দেয়ার পর তার বাস্তবায়ন না হলে ১বছরের মধ্যে জারীমামলা করতে হবে। যেহেতু আদালতের ঋণশোধের আদেশ বিবাদী পালন করেনি, ডিক্রি জারীর মাধ্যমে আদেশ মানানোর জন্য আদালতে আবেদন করা হয়। এটাকে জারি মামলা বলে। আদালত বিবাদীকে জারি নোটিশ প্রদান করবেন অথবা পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তিও দিতে পারেন। ১ম ডিক্রি জারি সফল না হলে ২য় ডিক্রিজারি মামলা করা যাবে।


পদক্ষেপ : ১০ (৩৩(১) ধারায় নিলাম)

ডিক্রি জারীতে কাজ না হলে অথবা ডিক্রীজারী সময়ে ৩৩(১) ধারায় আদালত পরপর দুইবার নিলাম আহবান করতে পারে। প্রথম নিলাম ব্যর্থ হলে দ্বিতীয় নিলাম দেয়া হবে। আদালতে সেরেস্তাদার দুটি জাতীয় দৈনিকে এই নিলাম বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবেন।

৩৩৷ (১) অর্থ ঋণ আদালত ডিক্রি বা আদেশ জারীর সময় কোন সম্পত্তি বিক্রয়ের ক্ষেত্রে বাদীর খরচে বিজ্ঞপ্তি প্রচারের তারিখ হইতে অনুন্য ১৫ (পনের) দিবসের সময় দিয়া সীলমোহরকৃত টেন্ডার আহ্বান করিবে, উক্ত বিজ্ঞপ্তি কমপক্ষে বহুল প্রচারিত একটি বাংলা জাতীয় দৈনিক পত্রিকায়, তদুপরি ন্যায় বিচারের স্বার্থে প্রয়োজন মনে করিলে স্থানীয় একটি পত্রিকায়, যদি থাকে, প্রকাশ করিবে; এবং আদালতের নোটিশ বোর্ডে লটকাইয়া ও স্থানীয়ভাবে ঢোল সহরত যোগেও উক্ত বিজ্ঞপ্তি প্রচার করিবে৷


পদক্ষেপ: ১১ (পুন:নিলাম)

৩৩(১) ধারায় প্রথম নিলাম ব্যর্থ হলে দ্বিতীয় নিলাম দেয়া হবে। এটাকে ৩৩(৪) ধারায় নিলাম বলে।  


পদক্ষেপ: ১২ (৩৩(৫) সাটিফিকেট প্রাপ্তি)

আদালত কর্তৃক দুইটি নিলামে বন্ধকীকৃত সম্পত্তি বিক্রি না হলে ৩৩(৫) ধারায় আদালত ব্যাংককে উক্ত সম্পত্তি দখল, ভোগ ও বিক্রির অধিকার প্রদান করে একটি সার্টিফিকেট ইস্যু করে। ৩৩(৫) ধারা সার্টিফিকেট প্রাপ্তির আদালতের কোনরুপ পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যাংক ম্যানেজার নিজেই নিলামে উক্ত জমি বিক্রির অধিকার লাভ করে। ৩৩(৫) ধারা অনুযায়ী ব্যাংক ম্যানেজার নিজের নামে পত্রিকায় নিলাম বিজ্ঞপ্তি দিয়ে থাকে।

“৩৩(৫) কোন সম্পত্তি ৭ [উপ-ধারা (১), (২), (২ক), (২খ), (২গ), (৩) ও (৪) এর বিধান অনুসারে] বিক্রয় করা সম্ভব না হইলে, উক্ত সম্পত্তি, ডিক্রীকৃত দাবী পরিপূর্ণভাবে পরিশোধিত না হওয়া পর্যন্ত, দখল ও ভোগের অধিকারসহ ডিক্রিদারের অনুকূলে ন্যস্ত করা হবে, এবং ডিক্রিদার ৮[উপ-ধারা (১), (২), (২ক), (২খ), (২গ), (৩) ও (৪) এর বিধান অনুসারে] উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করিয়া অপরিশোধিত ডিক্রীর দাবী আদায় করিতে পারিবে, এবং আদালত ঐ মর্মে একটি সার্টিফিকেট ইস্যু করিবে।”


পদক্ষেপ: ১২ (৩৩(৭) ধারায় মালিকানা লাভ)

৩৩(৫) ধারায় নিলাম দিয়েও আদালত ব্যাংক ব্যর্থ হতে পারে। ৩৩(৫) এর প্রাপ্ত সম্পত্তির মালিকানা লাভের জন্য ব্যাংক ৩৩(৭) ধারায় আদালতে আবেদন করতে পারে। ৩৩(৭) ধারায় মালিকানা সত্ব প্রদান করে আদালত একটি সনদ প্রদান করে। সনদটিই ব্যাংক মালিকানা লাভের দলিল। এটি প্রাপ্তির পর সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে ব্যাংক নিজ নামে উক্ত সম্পত্তি নিবন্ধন করে নিবেন।

            ৩৩(৭) ধারায় প্রাপ্ত সম্পত্তি ব্যাংক ভোগদখল, উন্নয়ন, নিজের কাজে ব্যবহার বা বিক্রি করতে পারে। ৩৩(৭) প্রাপ্ত সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে ঋণ সমন্বয় করা যায়। এর জন্য আগের মতো নিলাম আহ্বান করা যায়।

“৩৩(৭) উপ-ধারা (৪) ও (৫) এর বিধান সত্ত্বেও, ডিক্রীদার, উল্লিখিত সম্পত্তি মালিকানাসত্ত্বে পাইতে আগ্রহী মর্মে আদালতের নিকট লিখিতভাবে আবেদন করিলে, আদালত, ১০[উপ-ধারা (১), (২), (২ক), (২খ), (২গ) ও (৩) এর বিধানাবলির কোনরূপ হানি না ঘটাইয়া], উপ-ধারা (৪) ও (৫) এর কার্যক্রম অনুসরণ করা হইতে বিরত থাকিবে; এবং ডিক্রীদারের প্রার্থিতমতে উল্লেখিত সম্পত্তির স্বত্ত্ব ডিক্রিদারের অনুকূলে ন্যস্ত হইয়াছে মর্মে ঘোষণা প্রদানপূর্বক তৎমর্মে একটি সনদপত্র জারী করিবে এবং জারীকৃত এইরূপ সনদপত্র সত্ত্বের দলিল হিসাবে গণ্য হইবে; এবং আদালত উহার একটি অনুলিপি সংশ্লিষ্ট স্থানীয় সাব- রেজিষ্ট্রারের অফিসে নিবন্ধনের জন্য প্রেরণ করিবে।

   (৭ক) উপ-ধারা (৫) বা (৭) এর অধীন সম্পত্তির দখল আদালতযোগে প্রাপ্ত হওয়া আবশ্যক হইলে, ডিক্রিদারের লিখিত আবেদনের ভিত্তিতে আদালত ডিক্রিদারকে উক্ত সম্পত্তির দখল অর্পণ করিতে পারিবে।

  (৭খ) উপ-ধারা (৭ক) এর অধীন ডিক্রীদারকে সম্পত্তির দখল অর্পণ করিবার পূর্বে আদালতকে পুনঃ নিশ্চিত হইতে হইবে যে, উক্ত সম্পত্তিই আইনানুগভাবে উহার প্রকৃত মালিক কর্তৃক ডিক্রীর সংশ্লিষ্ট ঋণের বিপরীতে বন্ধক প্রদান করা হইয়াছিল অথবা ডিক্রী কার্যকর করিবার লক্ষ্যে দায়িকের প্রকৃত স্বত্ব দখলীয় সম্পত্তি হিসাবে উক্ত সম্পত্তিই ক্রোক করা হইয়াছিল।]”


পদক্ষেপ : ১৩ (৩৩(৭) ধারায় সম্পত্তি বিক্রি করে টাকা পরিশোধ না হলে)

বন্ধকীকৃত সম্পত্তি বিক্রি করেও ঋণ সমন্বয় না হলে অবশিষ্ট বকেয়া অর্থ আদায়ের জন্য আবারো ডিক্রিজারি মামলা করা যায় ।

বিশেষ পদক্ষেপ

অর্থঋণ আদালত আইন ২০০৩ এর ৫ম অধ্যায়ে বৈঠক ও মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিকল্প বিরোধ-নিষ্পত্তির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বিবাদী উপস্থিত হলে এই আইনের ২২ ধারায় মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে ।